আসন সমঝোতা চূড়ান্তে জামায়াতসহ আট দলের অঘোষিত জোটে জোর আলোচনা

NewsDesk
প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বার ২০২৫ | সময়ঃ ০৯:১১
photo

রফিক উজ্জামান: 

 

আসন সমঝোতার ভিত্তিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের অঘোষিত জোট অক্ষুণ্ণ রাখার জোর চেষ্টা চলছে। 

একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা নিয়ে জোটসংশ্লিষ্টদের মধ্যে কিছু জটিলতা তৈরি হলেও দ্রুত সমাধানের বিষয়ে আশাবাদী নেতারা।

 

জানা গেছে, আসন বণ্টন ও প্রার্থী সমন্বয় নিয়ে শুক্রবার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা একাধিক বৈঠক করেছেন। ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে আজ শনিবারও বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

সূত্রগুলো বলছে, কিছু আসনে একাধিক দলের দাবির কারণে সমঝোতা প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে পারস্পরিক ছাড় ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে। জোটের শীর্ষ নেতারা আশা করছেন, আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

 

এদিকে, এই অঘোষিত জোটে এনসিপিসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল যুক্ত হতে পারে—এ নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, জোটের পরিধি বাড়লে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন সমঝোতা সফল হলে এটি বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে একটি সমন্বিত ও কার্যকর নির্বাচনী কৌশল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

অন্যদিকে, চাহিদামতো আসন না পেলে আট দলের এই সমঝোতা প্রক্রিয়া থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বেরিয়ে যেতে পারে—এমন গুঞ্জন নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতারা এসব গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

 

সূত্র মতে, প্রথমে ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনের একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কার্যক্রম শুরু করলেও একপর্যায়ে নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দিয়ে একক প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করে জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি দল।

 

এই অঘোষিত জোটে রয়েছে—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)।

 

জানা গেছে, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে আসনভিত্তিক একক প্রার্থী নির্ধারণের কাজ শুরু করে সংশ্লিষ্ট লিয়াজোঁ কমিটি। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে সব দলের কাঙ্ক্ষিতসংখ্যক আসন পাওয়া নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হচ্ছে।

শেয়ার করুন